মুজিববর্ষকে ঘিরে বাড়তি খরচ না করার নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রীর
![]() |
| মুজিববর্ষকে ঘিরে বাড়তি খরচ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর |
মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে মন্ত্রনালগেুলোকে বাড়তি টাকা খরচ করে নতুন কোন প্রকল্প না নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তেজগাওয়ে তার নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মোলনে একথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
মন্ত্রীসভার বৈঠকে ‘সুনামগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-2020’ ও ‘জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি-2020’ এর খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে নিজ নিজ মন্ত্রনালয়ের একটি কর্মসূচিকে মুজিববর্ষের কর্মসূচি হিসেবে দেখাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী । এ উপলক্ষে বড় বাজেটের কর্মসূচি না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’
তিনি বলেন, যারা অবসর ভাতা পান যাতে ঘরে বসে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এটা পেতে পারেন, সেজন্য অর্থ মন্ত্রালয় আগেই একটি কর্মসূচির জন্য আলাদা খরচ করতে হবে না। বাড়তি খনচ করতে হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ।
‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন 2020’ প্রসঙ্গে মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন ‘এটা প্রধানমন্ত্রীর উদ্যেগ । কনসেপ্টটা ওনার থেকে এসেছে যে, এটা খুব রিমোট এরিয়া । রিমোট এরিয়াতেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থাকা দরকার । এরই পরিপেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রানালয় (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ) সুনামঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি নিয়ে এসেছে।’
খসড়া আইনে ৫৫ টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও
সংঙ্গা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো মধ্যে ৯ ধারায় চ্যান্সেলর, ১০ থেকে ১১ ধারার ভাইস চ্যান্সেলর, ১২ ধারার প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ১৩ ধারার কোষধ্যক্ষ, ১৮ থেকে ২০ ধারার সিন্ডিকেট, ২১ থেকে ২২ ধারার একাডেমিক কাউন্সিল, ২৯ থেকে ৩০ ধারার অর্থ কমিটি সম্পর্কিত বিষয় রয়েছে।’
এই আইনের আলোকে ২১টি অনচ্ছেদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির খসড়া আইনের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে বলেও জানান খন্দকার আনোয়ার।
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়া আইনটি নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়।


No comments